পাবলিক সেন্টিমেন্ট বুঝতে না পারলে আর পাবলিক পালস ধরতে না পারলে রাজনীতি করার দরকার নাই। পাবলিক পালস বুঝতে ব্যর্থ হওয়ার ফলাফল কি হতে পারে, আওয়ামী লীগ থেকে দেখেও শিখে না!
দেখুন, আগেও বলেছি, এখনও বলছি, তারেক রহমানই বিএনপির মূলধারা।
বাকি এইসব মুরুব্বিদের সরিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নেতাদের সামনে আনুন। মুরুব্বিদের উপদেষ্টা হিসেবে দলে রাখুন।
গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে এই মুরুব্বিরা বহাল তবিয়তে ছিলেন, আর লক্ষ কর্মী ছিলেন ঘরছাড়া, ঠিক যেমনটা আছেন তারেক রহমান।
কোনো সংগঠিত আন্দোলন করতে না পারা, সরকার পতনে ব্যর্থ এই মুরুব্বিরা এখন সংবিধান রক্ষার আলাপ করছেন!
তারা বুঝতেও পারছেন না, এই তরুণরা ৭৫-এর ডালিম কিংবা নূর চৌধুরী না, যে ক্ষমতায় এসে ইন্ডেমনিটি দিয়ে এদের বিদেশে পাঠিয়ে দিয়ে ক্ষমতার মাখন খাবেন।
কিংবা এক এগারোর সরকার না, আর আপনারাও আওয়ামী লীগ না, যে জুজুর ভয় দেখিয়ে বলবেন, নির্বাচন দেন, ক্ষমতায় গেলে বৈধতা দেব।
এরা নিজেরাই নিজেদের বৈধতা তৈরি করবে।
আপনারা অভ্যুত্থানের পর কবে নির্বাচন দেবেন বলে যে আলাপ দিয়েছিলেন, সেই আলাপে ট্রাম্প করে দিয়েছিল জামায়াতের আমীর।
এখন ফ্যাসিস্ট দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির প্রশ্নে আবারও আপনারা জনতা থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। আর জামায়াত ঠিকই পাবলিক পালস বুঝে সরকারের পাশে চলে যাচ্ছে দিন দিন।
আপনারা কি ভাবছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পতন ঘটানো হয়েছে আপনাদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য? কিংবা শুধু একটা নির্বাচন দেওয়ার জন্য? আপনার ক্ষমতার লোভ আড়াল করতে পারছেন না।
সিরিয়াসলি, আপনারা এভাবে চিন্তা করেন?
রাষ্ট্র সংস্কার আর রাষ্ট্র কাঠামোর পুনর্গঠন চলছে। সাথে থাকুন, জনপ্রিয় হবেন, সাথে না থাকলে হারিয়ে যাবেন, লিখে রাখুন।
আপাদত দল গুছান, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করুন, টোকাই-চাঁদাবাজদের বাদ দিন, কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করুন।
এই মুহূর্তে তারেক রহমান এবং শুধুমাত্র তারেক রহমানই পারেন বিএনপিকে নতুন করে সাজাতে। তাই ত্যাগী নেতা কর্মীদের বলবো তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করুন।
এভাবে একের পর এক ভুল করতে থাকলে জনপ্রিয়তা দিন দিন কমে যাবে।
আপনাদের শুভ বুদ্ধি হোক।
আমি চাই না আপনারাও আওয়ামী লীগ ২.০ হয়ে বিপ্লব ২.০-এর কাছে হেরে যান!